Connect with us

খেলা

মেসি–সভ্যতার অবসান

বিদায় রাগিণী মানেই তো বিষাদময় করুণ এক সুর। যাতে প্রচ্ছন্ন হয়ে থাকে কান্না। শুধু আর্জেন্টিনাতেই নয়, লিওনেল মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে যা বাজতে শুরু করেছে ফুটবল বিশ্ব জুড়েই। তাহলে মেসির মুখে বিষণ্নতার ছাপ নেই কেন?

মেসির মুখের ওই হাসিতে হয়তো সব পেয়ে বিদায় নিতে পারার তৃপ্তি। দুই বছরের মধ্যে কোপা আর বিশ্বকাপ মিলিয়ে তিন–তিনটি ফাইনাল হারার পর দুঃখে–অভিমানে অবসর নিয়ে ফেলার কথা নিশ্চয়ই আপনার মনে আছে। খ্রিষ্টের জন্মের আগে ও পরের মতো মেসির ক্যারিয়ারেও তাই পরিষ্কার দুটি ভাগ। ২০১৬ সালের আগে ও পরে। আগে শুধুই না পাওয়ার হাহাকার। পরে গলায় একের পর এক প্রাপ্তির মালা। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে হেরেছেন। যা জিতলে এখনো অনিন্দ্যসুন্দর মেসির গল্পটা অবশ্যই আরও সুন্দর হতো। তবে এর আগেই তো তাঁর পাওয়া হয়ে গেছে সব। বিদায়বেলায় মেসির মুখে যে হাসির কথা বলছিলাম, সেটির সহজ ব্যাখ্যা তো এটাই হয়।

বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ বেনিন, এটা শুধু বলতে হয় বলেই বলেছে সবাই। কখনো বিশ্বকাপ না খেলা ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৯৩ নম্বর আফ্রিকার এই দেশ এখানে নিছকই সিনেমার ‘এক্সট্রা’। যদিও পাকেচক্রে এই বেনিনও ঢুকে যাচ্ছে ইতিহাসে। আজ থেকে অনেক অনেক বছর পরও মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের কথা উঠলেই উচ্চারিত হবে এমনিতে অখ্যাত এই দেশের নাম! বেনিনের অংশ বলতে শুধু ওটুকুই, নইলে এই ম্যাচের আর কোনো পরিচয় নেই, এটি শুধুই মেসির ম্যাচ। ফুটবল ইতিহাসে এক যুগাবসানের স্মারক।

Continue Reading

Copyright © 2026 Dainik Bangla