খেলা

সার্ফার ফাতেমার লড়াইয়ের গল্প

ফাতেমা আক্তারের বাড়ি কক্সবাজারের মহেশখালী। পড়ে দশম শ্রেণিতে। খুব ছোটবেলাতেই বাবাকে হারিয়েছে। এর পর থেকেই অভাব তার জীবনের অংশ। কিন্তু শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়, মেয়ে হয়ে সার্ফিংয়ের মতো একটি খেলায় টিকে থাকাটাও তার জন্য সহজ ছিল না।

একসময় তার সঙ্গে আরও অনেক মেয়েই সার্ফিং শিখত, কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাদের অনেকেই আর সমুদ্রে ফিরতে পারেনি। কারও অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে গেছে, কেউ সংসারের চাপে সার্ফিং ছেড়ে দিয়েছে, কারও পথ আটকে দিয়েছে পরিবার কিংবা সমাজ। ফাতেমা বলছিল, বিদায়ের আগে তাদের কেউ কেউ তাকে বলে গেছে, ‘বিয়ে কোরো না, সার্ফিংটা ধরে রাখো।’

কথাটা শুনতে হয়তো খুব সাধারণ; কিন্তু ফাতেমার কাছে সেটিই একধরনের দায়িত্বও হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা পারেনি, তাদের অসমাপ্ত কাজটাও যেন সে নিজের সঙ্গে বহন করছে। নানা বাধা ও চাপের মধ্যেও নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকার কথা বলতে গিয়ে ফাতেমা খুব সহজ করেই বলেছিল, ‘আমি শুধু নিজের মনের কথাটাই শুনেছি।’

সাম্প্রতিক

Exit mobile version