খেলা

নাম–পরিচয় দিয়ে দলে ঢোকা যাবে না

আগামী নভেম্বরে ঢাকায় বসছে ছেলেদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে টমাস ডুলির প্রথম বড় কোনো টুর্নামেন্ট। গতকাল দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন সাফে বাংলাদেশের ২৩ বছরের শিরোপাখরা ভাঙার কথা, প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবনা, বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎসহ আরও অনেক কিছু।

২৩ বছর ধরে এই শিরোপার জন্য অপেক্ষা চলছে, এবার লক্ষ্য একটাই—চ্যাম্পিয়ন হওয়া। সান মারিনোর বিপক্ষে জয়টা আমাদের ভালো ভিত গড়ে দিয়েছে। সামনের কয়েক মাসে কৌশল ও দক্ষতার ঘাটতিগুলো মেটাতে হবে, সেট পিসে ভালো করা দরকার, দলের বোঝাপড়াটাও বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ম্যাচ খেলে মানসিকভাবে তৈরি হতে হবে।

প্রতিপক্ষ কে, সেটা বড় কথা নয়। চ্যাম্পিয়ন হতে হলে সহজ–কঠিন ভুলে যান। শিরোপা জিততে হলে সামনে যে-ই আসুক, তাকে হারাতে হবে। প্রতিটা ম্যাচে জেতার মানসিকতা নিয়ে নামতে হবে।

অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মূল্য অনেক। ভালো নেতৃত্ব দলের জন্য জরুরি, তাঁরা দীর্ঘদিন খেলতেই পারেন। তবে নতুনদের উঠে আসাটাও জরুরি। আমি মনে করি, ৬ থেকে ১১ বছর পর্যন্ত বয়সটা খেলা উপভোগের সময়। এ সময় ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়। ১১ থেকে ১৪—দক্ষতা গড়ার সবচেয়ে জরুরি সময়। এই সময়ে দরকার সঠিক প্রশিক্ষণ। ১৫ থেকে ২০—কৌশলগত শিক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা, সিদ্ধান্ত নেওয়া আর খেলা বোঝার ক্ষমতা বাড়ানোর সময়। আমি সব সময় চারটা স্তম্ভের কথা বলি—প্রযুক্তিগত, কৌশলগত, শারীরিক আর মানসিক। অনেকে প্রথম তিনটাতেই জোর দেন, কিন্তু আসল পার্থক্য গড়ে দেয় মানসিক দৃঢ়তা। এই চারটি একসঙ্গে গড়ে তুলতে পারলেই খেলোয়াড়েরা পেশাদার পর্যায়ে দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারবে।

সাম্প্রতিক

Exit mobile version